চার্লি চ্যাপলিনকে ছোটবেলায় সীমাহীন দারিদ্রতার সাথে যুদ্ধ করতে হয়েছে।
কিন্তু একসময় কিন্তু তাদের পরিবারের অবস্থা মোটামোটি ভালো ছিল। চার্লি
চ্যাপলিনের বাবা সিনিয়র চার্লি চ্যাপলিন ছিলেন জনপ্রিয় একজন সংগীত শিল্পী।
কিন্তু মদের নেশায় পড়ে গান-বাজনা ছেড়ে দিয়ে সারাক্ষণ শুধু মদ নিয়েই পড়ে
থাকতেন। জনপ্রিয়তায় পাশাপাশি আর্থিকভাবেও দেওলিয়া হয়ে যান সিনিয়র চ্যাপলিন।
অতিরিক্ত মদ খাওয়ার কারণে একসময় অসুস্থ হয়ে পড়েন সিনিয়র চ্যাপলিন এবং এই
অসুখেই তিনি মারা যান। এরপর পিতৃহারা চ্যাপলিন অবর্ণনীয় কষ্ট ও দারিদ্রের
মধ্যে বড় হয়েছেন। শৈশব সম্পর্কে চার্লি চ্যাপলিন বলেন, যদি ভাগ্য সহায় না
হতো, তাহলে আমি লন্ডনের পথে পথে চুরি করে বেড়াতাম। আর, বেওয়ারিশ লাশ হয়ে
কবরে যেতে হতো। মা ও ভাইয়ের সাথে দক্ষিণ লন্ডনের একটি শহরে বিভিন্ন বাড়িতে
ভাড়া থাকতেন চ্যাপলিন। ভাড়া দিতে না পারায় প্রায়ই তাদেরকে বাসা থেকে বের
করে দেওয়া হতো। এইভাবে তাড়া খাওয়ার চাইতে চ্যাপলিন পার্কের বেঞ্চিতে
ঘুমাতেই বেশি পছন্দ করতেন। চার্লি একটি মুদির দোকানেও কিছুদিন কাজ
করেছিলেন। সেখানে কাজ চলে যাবার পরে কাজ নিয়েছিলেন একটি ডাক্তারখানায়।
সেখানে কাজ চলে যাবার পরে লোকের বাড়ির বাসন মাজার কাজে লেগে পড়েন চার্লি। এক কাচের কারখানা, রঙের দোকান, লোহার দোকান, ছাপাখানা, খেলনা কারখানা, কাঠচেরাই কল, কাগজ বিক্রি ইত্যাদি নানা কাজের মধ্যে তিনি যুক্ত হয়ে পড়েছিলেন। বাল্যকাল কেটেছে তার অত্যন্ত দরিদ্রতার মধ্যে দিয়ে। ফুটপাথে রাত কাটানো এমনকি পচা খাবার কুড়িয়েও খেতে হয়েছে চার্লিকে। চার্লির জন্মের পর বাবা-মার মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। চার্লি মার সঙ্গেই থেকে যান এবং বলা যায় তাঁর হাতেই চার্লির হাতেখড়ি হয় অভিনয়ের। কিন্তু এক সময় চার্লি চ্যাপলিনের মা হ্যানা অসুস্থ হয়ে পড়েন। চ্যাপলিন সে সময় বিভিন্ন বারের সামনে নেচে টাকা উপার্জন করতেন। একসময় অপুষ্টির অভাবে চ্যাপলিনের মা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। তারপর চ্যাপলিন তার মাকে একটি আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানেই তার মা দীর্ঘ ১৭টি বছর থেকে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মাকে আশ্রয় কেন্দ্রে রেখে আসার পর অভিভাবকহীন চ্যাপলিনকে একটি এতিম খানার তত্ত্বাবধানে রাখা হয়। এতিমখানার নিয়ম না মানার কারণে সেখানে তাকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন করা হতো। এতিমখানার জীবনের ওই অভিজ্ঞতা চ্যাপলিনের সিনেমাম জগতে ভালো প্রভাব ফেলেছিল। (দ্রষ্টব্য: বাম পাশের ছবিতে চার্লি চ্যাপলিনের বাবা ও মা)
সেখানে কাজ চলে যাবার পরে লোকের বাড়ির বাসন মাজার কাজে লেগে পড়েন চার্লি। এক কাচের কারখানা, রঙের দোকান, লোহার দোকান, ছাপাখানা, খেলনা কারখানা, কাঠচেরাই কল, কাগজ বিক্রি ইত্যাদি নানা কাজের মধ্যে তিনি যুক্ত হয়ে পড়েছিলেন। বাল্যকাল কেটেছে তার অত্যন্ত দরিদ্রতার মধ্যে দিয়ে। ফুটপাথে রাত কাটানো এমনকি পচা খাবার কুড়িয়েও খেতে হয়েছে চার্লিকে। চার্লির জন্মের পর বাবা-মার মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। চার্লি মার সঙ্গেই থেকে যান এবং বলা যায় তাঁর হাতেই চার্লির হাতেখড়ি হয় অভিনয়ের। কিন্তু এক সময় চার্লি চ্যাপলিনের মা হ্যানা অসুস্থ হয়ে পড়েন। চ্যাপলিন সে সময় বিভিন্ন বারের সামনে নেচে টাকা উপার্জন করতেন। একসময় অপুষ্টির অভাবে চ্যাপলিনের মা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। তারপর চ্যাপলিন তার মাকে একটি আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানেই তার মা দীর্ঘ ১৭টি বছর থেকে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মাকে আশ্রয় কেন্দ্রে রেখে আসার পর অভিভাবকহীন চ্যাপলিনকে একটি এতিম খানার তত্ত্বাবধানে রাখা হয়। এতিমখানার নিয়ম না মানার কারণে সেখানে তাকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন করা হতো। এতিমখানার জীবনের ওই অভিজ্ঞতা চ্যাপলিনের সিনেমাম জগতে ভালো প্রভাব ফেলেছিল। (দ্রষ্টব্য: বাম পাশের ছবিতে চার্লি চ্যাপলিনের বাবা ও মা)
1:25 PM
ABC


Posted in:
0 comments:
Post a Comment