Sunday, April 9, 2017

চার্লি চ্যাপলিন শৈশব জীবন ।

১৮৮৯ সালের ১৬ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন চার্লি স্পেন্সার চ্যাপলিন৷ তবে তার জন্মস্থান কোথায় তা নিয়ে সঠিক কোনো তথ্য কারও জানা নেই। চ্যাপলিনের জন্মের দুই বছরের মাথায় তাঁর বাবা-মা’র মধ্যে বিচ্ছেদ হয়ে যায়৷ চার্লি চ্যাপলিনের পিতার নাম চালর্স চ্যাপলিন। তিনি মারা গিয়েছিলেন মাত্র ৩৭ বছর বয়সে। তার মায়ের নাম ছিল হানা। ১৮৯১ সালের আদমসুমারী থেকে জানা যায়, চার্লি তার মা হান্নাহ চ্যাপলিন এবং ভাই সিডনির সাথে ওয়ালওয়ার্থ, দক্ষিণ লন্ডনের বার্লো স্ট্রিটে থাকতেন, এটি কেনিংটন জেলার অন্তর্গত।
চার্লি চ্যাপলিনের জীবনটা বড়ই রহস্যময়। চ্যাপলিনের জন্ম থেকে শুরু করে নাম, পিতা, মাতা সবকিছুই যেনো এক রহস্য। যুক্তরাজ্যের জাতীয় আর্কাইভ থেকে প্রকাশিত নথি থেকে জানা যায়, চার্লি চ্যাপলিনের আসল নাম হলো ইসরায়েল থর্নস্টেইন। চ্যাপলিন তাঁর ছদ্মনাম ।(তবে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দারা চ্যাপলিনের ছদ্মনাম নিয়ে কোনো প্রমাণ খুঁজে পাননি)। চার্লি চ্যাপলিনের কোনো বৈধ জন্ম প্রমানপত্র পাওয়া যায়নি, তাই তার জন্ম নিয়ে সর্বদাই কুয়াশা রয়েছে । সংবাদ মাধ্যম নানা সময়ে নানারকম তথ্য দিয়েছে তার জন্মস্থান সম্পর্কে । এমনকি তার চলচ্চিত্র জীবনের প্রথমদিকে চ্যাপলিন নিজেও একবার বলেছেন যে তিনি ফ্রান্সের ফঁতেউব্ল শহরে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন । আল-জাজিরায় প্রকাশিত এক খবরে জানা যায়, এমআইফাইভের এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এমন হতে পারে যে চ্যাপলিনের জন্ম রাশিয়ায়। তিনি একবার রাশিয়ায় ফিরে যাওয়ার কথাও বলেছিলেন। আবার এমনোও হতে পারে যে চ্যাপলিন ইহুদি বংশোদ্ভূত । প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তার ভূমিকা ছিল একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিকের মতো। যুদ্ধের বিরুদ্ধে তিনি বই লিখলেন, সিনেমা করলেন, বক্তৃতাও দিলেন। সেই সময় তার সখ্যতা বাড়লো কমিউনিষ্টদের সাথে। তখন তিনি করেছিলেন সেই বিখ্যাত উক্তি, ‘মানুষকে ভালোবাসার জন্য যদি আমাকে কমিউনিষ্ট বলা হয়, তো আমি কমিউনিষ্ট’।
গমন করেছে
মৃত্যুর পরেও ধনী
 পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের রেখে যাওয়া সম্পদ থেকে এ পর্যন্ত আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০০ মিলিয়নে। এটি জ্যাকসনের রেকর্ড পরিমাণ আয় করা ‘থ্রিলার’ অ্যালবামের চেয়েও বেশি। ৬০০ মিলিয়নের বিশাল এই অর্থ মূলত টিকিট বিক্রি থেকে এসেছে। ২০০৯ এর জুনে মৃত্যুর পর অর্জিত হয়েছে এ অর্থ। ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউকের মতে, জীবিত যে কোনো শিল্পীর একই সময়ের আয়ের চেয়ে এটি অনেক বেশি। মাইকেল জ্যাকসনকে নিয়ে নির্মিত ‘মাইকেল জ্যাকসনস ওয়ান’ এবং কনসার্ট পারফরমেন্স নিয়ে নির্মিত ‘দিস ইজ ইট’ ছবির টিকিট বিক্রি থেকে এসেছে বেশ বড় রকমের অর্থ। ইউএস ডকুমেন্টারি অনুসারে ‘মাইকেল জ্যাকসনস সিক্সটি মিনিটস’ বিশ্বব্যাপী ৩০০ মিলিয়নের বেশি আয় করেছে। আইটিউনসে এখনো সবচেয়ে বেশি অ্যালবাম বিক্রি হচ্ছে জ্যাকসনের। তার মৃত্যুর পর থেকে প্রায় ৫০ মিলিয়ন কপি অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে এ পর্যন্ত। সব মিলিয়ে মৃত্যুর পরও দিন দিন ধনী হচ্ছেন মাইকেল জ্যাকসন। এ ছাড়া ইতিমধ্যে যারা পরলোক গমন করেছেন এমন তারকাদের মধ্যে আয়ে শীর্ষে উঠে এসেছেন পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসন। ফোর্বসের ২০১৫ সালের জরিপে এ তথ্য উঠে আসে। চলতি বছর তার আয় দাঁড়িয়েছে ১১.৫ কোটি ডলারে। এর ফলে তার সামষ্টিক আয় দাঁড়াল ১০০ কোটি ডলারের বেশি। ২০০৯ সালে পরলোকগমন করেন পপসম্রাট জ্যাকসন। ফোর্বসের তালিকায়, দ্বিতীয় স্থানে আছেন এলভিস প্রিসলি। গত এক বছরে তার আয় ৫ কোটি ডলার। ১৯৭৭ সালের আগস্টে মারা যান তিনি।
তালিকায় থাকা বাকিরা হলেন জ্যামেইকান রাগ শিল্পী, গিটার বাদক, গীতিকার বব মার্লে, মেরিলিন মনরো। আর তরুণদের মধ্য আছেন তালিকায় আছেন ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াসের প্রয়াত অভিনেতা পল ওয়াকার।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/various/2015/11/29/112401#sthash.7qpmKPV7.dpuf
মৃত্যুর পরেও ধনী
 পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের রেখে যাওয়া সম্পদ থেকে এ পর্যন্ত আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০০ মিলিয়নে। এটি জ্যাকসনের রেকর্ড পরিমাণ আয় করা ‘থ্রিলার’ অ্যালবামের চেয়েও বেশি। ৬০০ মিলিয়নের বিশাল এই অর্থ মূলত টিকিট বিক্রি থেকে এসেছে। ২০০৯ এর জুনে মৃত্যুর পর অর্জিত হয়েছে এ অর্থ। ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউকের মতে, জীবিত যে কোনো শিল্পীর একই সময়ের আয়ের চেয়ে এটি অনেক বেশি। মাইকেল জ্যাকসনকে নিয়ে নির্মিত ‘মাইকেল জ্যাকসনস ওয়ান’ এবং কনসার্ট পারফরমেন্স নিয়ে নির্মিত ‘দিস ইজ ইট’ ছবির টিকিট বিক্রি থেকে এসেছে বেশ বড় রকমের অর্থ। ইউএস ডকুমেন্টারি অনুসারে ‘মাইকেল জ্যাকসনস সিক্সটি মিনিটস’ বিশ্বব্যাপী ৩০০ মিলিয়নের বেশি আয় করেছে। আইটিউনসে এখনো সবচেয়ে বেশি অ্যালবাম বিক্রি হচ্ছে জ্যাকসনের। তার মৃত্যুর পর থেকে প্রায় ৫০ মিলিয়ন কপি অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে এ পর্যন্ত। সব মিলিয়ে মৃত্যুর পরও দিন দিন ধনী হচ্ছেন মাইকেল জ্যাকসন। এ ছাড়া ইতিমধ্যে যারা পরলোক গমন করেছেন এমন তারকাদের মধ্যে আয়ে শীর্ষে উঠে এসেছেন পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসন। ফোর্বসের ২০১৫ সালের জরিপে এ তথ্য উঠে আসে। চলতি বছর তার আয় দাঁড়িয়েছে ১১.৫ কোটি ডলারে। এর ফলে তার সামষ্টিক আয় দাঁড়াল ১০০ কোটি ডলারের বেশি। ২০০৯ সালে পরলোকগমন করেন পপসম্রাট জ্যাকসন। ফোর্বসের তালিকায়, দ্বিতীয় স্থানে আছেন এলভিস প্রিসলি। গত এক বছরে তার আয় ৫ কোটি ডলার। ১৯৭৭ সালের আগস্টে মারা যান তিনি।
তালিকায় থাকা বাকিরা হলেন জ্যামেইকান রাগ শিল্পী, গিটার বাদক, গীতিকার বব মার্লে, মেরিলিন মনরো। আর তরুণদের মধ্য আছেন তালিকায় আছেন ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াসের প্রয়াত অভিনেতা পল ওয়াকার।
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/various/2015/11/29/112401#sthash.7qpmKPV7.dpuf

0 comments:

Post a Comment

Facebook Twitter Delicious Digg Stumbleupon Favorites More

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Bluehost Review