বেকারত্বের জ্বালায় মোশারফ করিম কর্মের সন্ধানে যুবক বয়সেই ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় এসে কাজ
না পেয়ে কোনমত দুইটা টিউশনি করে জীবন চালিয়েছেন। পরিচিত বিল্ডার্স এর সৌজন্যে একটা এপার্টমেন্টে সিড়ির
নিচের ছোট্ট একটা ঘরে থাকার অনুমতি পায়। চাকরি হচ্ছেনা বলে টিউশনির পাশাপাশি ৪-৫ শ টাকার বিনিময়ে মঞ্চ
নাট্যে চাকর বা নায়কের বন্ধুর পার্ট করে অভিনয়ে প্রবেশ করেন। এরপর ৩-৪ মাস ঘুরে ঘুরে টিভি নাটকের পাসিং ম্যান (যারা শুধু অভিনেতাদের পাশ দিয়ে হেঁটে যায় বা বসে থাকে) চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পায়। নাটকের সেটে লাইট ম্যানদের সাথে মাইক্রোর একদম পিছনে বসে আসতেন। এরপর ২০০৭-০৮ সালে প্রয়াত পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন তার “দারুচিনি দ্বীপ” ছবির চরিত্রের জন্য এমন একজনকে খুঁজছিলেন যার টিউশনি করার অভিজ্ঞতা আছে। মোশাররফ
করিম সে চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সুযোগ পেয়ে যান। তারপর থেকে মোশারফ ভাইকে আর পেছন ফিরে তাকতে হয়নি। দারুচিনি দ্বীপে টিউটর হিসেবে দারুণ অভিনয়ের পরই ‘কেরাম’ নামের নাটকে অভিনয় করে ব্যপক জনপ্রিয়তা পায়। তার অভিনয় প্রতিভা এতই বেশি যে তাকে নির্দিষ্ট কোন চরিত্র হিসেবে বেধে রাখা যায়নি। সব ধরনের চরিত্রই সমান ভাবে ফুটিয়ে তোলে। আজ সেই মোশারফ করিম ভাইয়ের সিডিউল পেতে পরিচালকদের ছয় মাস আগেই বলে রাখতে হয়। তার অভিনীত কোন নাটক প্রিয় এমন প্রশ্ন কাউকে করলে উত্তর পাওয়া যায়না। সবাই বলে কোনটা ছেড়ে কোনটা বলি।
না পেয়ে কোনমত দুইটা টিউশনি করে জীবন চালিয়েছেন। পরিচিত বিল্ডার্স এর সৌজন্যে একটা এপার্টমেন্টে সিড়ির
নিচের ছোট্ট একটা ঘরে থাকার অনুমতি পায়। চাকরি হচ্ছেনা বলে টিউশনির পাশাপাশি ৪-৫ শ টাকার বিনিময়ে মঞ্চ
নাট্যে চাকর বা নায়কের বন্ধুর পার্ট করে অভিনয়ে প্রবেশ করেন। এরপর ৩-৪ মাস ঘুরে ঘুরে টিভি নাটকের পাসিং ম্যান (যারা শুধু অভিনেতাদের পাশ দিয়ে হেঁটে যায় বা বসে থাকে) চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পায়। নাটকের সেটে লাইট ম্যানদের সাথে মাইক্রোর একদম পিছনে বসে আসতেন। এরপর ২০০৭-০৮ সালে প্রয়াত পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন তার “দারুচিনি দ্বীপ” ছবির চরিত্রের জন্য এমন একজনকে খুঁজছিলেন যার টিউশনি করার অভিজ্ঞতা আছে। মোশাররফ
করিম সে চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সুযোগ পেয়ে যান। তারপর থেকে মোশারফ ভাইকে আর পেছন ফিরে তাকতে হয়নি। দারুচিনি দ্বীপে টিউটর হিসেবে দারুণ অভিনয়ের পরই ‘কেরাম’ নামের নাটকে অভিনয় করে ব্যপক জনপ্রিয়তা পায়। তার অভিনয় প্রতিভা এতই বেশি যে তাকে নির্দিষ্ট কোন চরিত্র হিসেবে বেধে রাখা যায়নি। সব ধরনের চরিত্রই সমান ভাবে ফুটিয়ে তোলে। আজ সেই মোশারফ করিম ভাইয়ের সিডিউল পেতে পরিচালকদের ছয় মাস আগেই বলে রাখতে হয়। তার অভিনীত কোন নাটক প্রিয় এমন প্রশ্ন কাউকে করলে উত্তর পাওয়া যায়না। সবাই বলে কোনটা ছেড়ে কোনটা বলি।
12:35 PM
ABC

Posted in:
0 comments:
Post a Comment