বয়স এখনো ১০ এর কোঠা পার হয়নি তবুও পেটের দায়ে কঠিন বাস্তবতার
সম্মুক্ষীন হতে হচ্ছে বাংলাদেশের অনেক শিশুকে।যাদের কচি হাতের কঠিন
পরিশ্রমে চলছে একটি পরিবার।
যাদের জীবনে কখনো থাকে না শৈশবের সেই খেলাধুলা এবং পড়াশোনার মধুর স্মৃতি।যাদের জীবন শুধু জীবন যুদ্ধে টিকে থাকার জন্য।
কিন্তু বর্তমানে কিছু তরুণ যারা এই সকল শিশুদের জ্ঞান বিকাশের জন্য নিজের টাকা খরচ করে বা বিভিন্ন সংস্থা থেকে সাহায্য নিয়ে তাদের এই মহান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে।
খুলনা জেলার রুপসা উপজেলার ইলাইপুর গ্রামের অলক তার নিজ উদ্যোগে হাইওয়ে রোডের পাছে বাশের বেড়া ও উপরে টিন দেয়া গড়ে তুলেছেন *অনুশিলন মজার স্কুলে*।
এই স্কুলের বেশীর ভাগ ছেলে মেয়েদের বয়স ৫ থেকে ১২ বছর। এরা সবাই সুবিধাবঞ্চিত ঝরে পড়া শিশু। তারা বিভিন্ন জায়গায় কাজ করে, কেউ যাহাজে মাল তুলে দেয়, কেউ মাল নামায়, কেউ বাড়ি বাড়ি গিয়ে সুপারি পাড়ে, কেউ পাট ফ্যাক্টরিতে মেশিনে খুবই বিপদজনক কাজ করে।
তারা সারাদিন কাজ করে ২৫ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কামাই করে।এই সকল কর্মজীবি শিশুদের স্কুলমুখী করার জন্য নিজস্ব অর্ধ্যায়নে একটা বিস্কুট আর একটা কলা দেন স্কুলটিতে পড়তে আসা সুবিধা বঞ্চিত শিশুরা।
অলকের স্বপ্ন এই শিশুরা যেন শিক্ষিত হয়ে উঠে এবং সমাজে মাথা উচু করে দাড়াতে পারে ।এই স্কুলকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে Tactical Security System (Military Grade Motorbike Security) নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
তারা বলেন , আমরা একা কিছুই পারবো না শিশুদেরকে একটু খাবারের ব্যবস্তা করে দিতে চাইলে আপনি সরাসরি স্কুলটি দেখে আসুন এবং তাদের সাথে একটু গল্প করে দেখুন — নিশ্চিত চোখে পানি চলে আসবে।
যাদের জীবনে কখনো থাকে না শৈশবের সেই খেলাধুলা এবং পড়াশোনার মধুর স্মৃতি।যাদের জীবন শুধু জীবন যুদ্ধে টিকে থাকার জন্য।
কিন্তু বর্তমানে কিছু তরুণ যারা এই সকল শিশুদের জ্ঞান বিকাশের জন্য নিজের টাকা খরচ করে বা বিভিন্ন সংস্থা থেকে সাহায্য নিয়ে তাদের এই মহান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে।
খুলনা জেলার রুপসা উপজেলার ইলাইপুর গ্রামের অলক তার নিজ উদ্যোগে হাইওয়ে রোডের পাছে বাশের বেড়া ও উপরে টিন দেয়া গড়ে তুলেছেন *অনুশিলন মজার স্কুলে*।
এই স্কুলের বেশীর ভাগ ছেলে মেয়েদের বয়স ৫ থেকে ১২ বছর। এরা সবাই সুবিধাবঞ্চিত ঝরে পড়া শিশু। তারা বিভিন্ন জায়গায় কাজ করে, কেউ যাহাজে মাল তুলে দেয়, কেউ মাল নামায়, কেউ বাড়ি বাড়ি গিয়ে সুপারি পাড়ে, কেউ পাট ফ্যাক্টরিতে মেশিনে খুবই বিপদজনক কাজ করে।
তারা সারাদিন কাজ করে ২৫ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কামাই করে।এই সকল কর্মজীবি শিশুদের স্কুলমুখী করার জন্য নিজস্ব অর্ধ্যায়নে একটা বিস্কুট আর একটা কলা দেন স্কুলটিতে পড়তে আসা সুবিধা বঞ্চিত শিশুরা।
অলকের স্বপ্ন এই শিশুরা যেন শিক্ষিত হয়ে উঠে এবং সমাজে মাথা উচু করে দাড়াতে পারে ।এই স্কুলকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে Tactical Security System (Military Grade Motorbike Security) নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
তারা বলেন , আমরা একা কিছুই পারবো না শিশুদেরকে একটু খাবারের ব্যবস্তা করে দিতে চাইলে আপনি সরাসরি স্কুলটি দেখে আসুন এবং তাদের সাথে একটু গল্প করে দেখুন — নিশ্চিত চোখে পানি চলে আসবে।
আমিওতো তোমারই মতো “মানুষ” রক্ত মাংসে গড়া,
তবে কেন আমি অধিকার হারা জীবনটা হলো ছন্নছাড়া?
তবে কেন আমি অধিকার হারা জীবনটা হলো ছন্নছাড়া?
জীবনের রঙ্গিন স্বপ্ন গুলো কি অপরাধে রয়ে গেলো অদেখা অজানা
রাস্তাই হোল আমার ঠিকানা,
গায়ে জড়িয়ে পথ শিশুর ফলকনামা
যার জন্য বরাদ্ধ শুধুই নাক সিটকানো চাহনি আর ঘৃণা।
রাস্তাই হোল আমার ঠিকানা,
গায়ে জড়িয়ে পথ শিশুর ফলকনামা
যার জন্য বরাদ্ধ শুধুই নাক সিটকানো চাহনি আর ঘৃণা।
8:26 AM
ABC

Posted in:
0 comments:
Post a Comment